চকরিয়ায়  হারবাং এলাকায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

Mohammad UllahMohammad Ullah
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  09:04 PM, 25 July 2021

চকরিয়ায়  হারবাং এলাকায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা



।।মোহাম্মদ উল্লাহ।।

চকরিয়ায় জমির আইল কেটে জমির বৃদ্ধি ও জবর দখলকে কেন্দ্র করে জমি মালিক ছৈয়দ আকবরের পুত্র মো: আবদু শুকুর (৫৬)কে হত্যার চেষ্টায় সন্ত্রাসী কায়দায় ধারালো অস্ত্র কিরিছ দিয়ে উপর্যপুরী কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের উত্তর পহরচাঁদা গ্রামে ২৪জুলাই’২০২১ইং ঘটেছে এ ঘটনা।
হামলার শিকার মো: আবদু শুক্কুরের পুত্র মো: নুরুল আমিন (২৭) বাদী হয়ে ২৫ জুলাই থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। এতে বিবাদী করা হয়েছে; একই ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ভাইয়াকাটা গ্রামের এলাকার মৃত ওয়াজেদ আলীর পুত্র আমির হোসেন (৪২), নুরুল আলম (৪৫) ও আমির হোসেনের পুত্র মো: রিদুয়ান (২২) সহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে।

অভিযোগে জানাগেছে, চকরিয়া উপজেলার হারবাং মৌজায় ছৈয়দ আকবরের পুত্র মো: আবদু শুকুরের মালিকানাধীন, পৈত্রিক ওয়ারিশী স্বত্ব ভোগ দখলীয় বি.এস ৮৭নং খতিয়ানের ২২২৭, ২২২৮, ২২৫৩/৩২২৫, ২২৪০, ৫০০০১, ৫০৪৮নং দাগের ২.৯১ একর জমি রয়েছে। ঘটনারদিন ২৪জুলাই’২০২১ইং সকাল ১১ ঘটিকার দিকে অভিযুক্তরা তাদের পাশ^বর্তী জমি থাকায় জমির প্রতি লুলোপ দৃষ্টি পড়ে। এর ধারাবাহিকতায় ঘটনারদিন জমির আইল কেটে অতিরিক্ত জমি জবর দখলের চেষ্টা চালালে তাতে বাধা সৃষ্টি করে জমি মালিক আবদু শুকুর। এসময় তাকে সন্ত্রাসী কায়দায় ধারালো অস্ত্র দা কিরিছ দিয়ে হত্যার চেষ্টায় উপর্যপুরী কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তার মাথার পেছনে ও পীঠে কিরিছের কোপের আঘাত রয়েছে।

মারা গেছে মনে করে জমি পড়ে থাকলে মুমুর্ষ অবস্থায় স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন।

বাদী মো: নুরুল আমিন অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা সন্ত্রাসী কায়দায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার পিতা আবদু শুক্কুরের মাথার পেছনে ৩টি ও পীঠে ২টি ও পীঠের ডান পাশের নীচের অংশে ২টি কোপ মেরে রক্তাক্ত হাঁড়কাটা জখম করে। ফলে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। সন্ত্রাসীরা তার পিতাকে মৃত্যু নিশ্চিত মনে করে পালিয়ে যায়। অভিযুক্তরা বর্তমানেও ঘটনার বিষয়ে মামলা করলে পূণরায় মারিবে, কাটিবে, জমিতে খুন করিবেসহ বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি অব্যাহত রেখেছেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো: জুয়েল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনার বিষয়ে এজাহারটি পাওয়ারপর প্রাথমিক তদন্তের জন্য হারবাং ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) আজাহারুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্তের পর জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :